প্রকাশিত: Sat, Apr 29, 2023 10:15 PM
আপডেট: Sat, Jun 13, 2026 12:29 PM

ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে প্রথম মরণোত্তর কিডনিদাতা সারাহ ইসলাম

জেরিন আহমেদ: দেশে প্রথমবারের মতো ক্যাডাভেরিক ট্রান্সপ্ল্যান্টে অঙ্গদান করেছিলেন ২০ বছর বয়সী সারাহ ইসলাম। শনিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘চ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৩৬ নম্বর প্রশ্নটি প্রশ্নটি ছিলো, বাংলাদেশে প্রথম মরণোত্তর কিডনীদাতা কে ছিলেন? 

জন্মের শুরুতে সারাহ জীবনসঙ্কটে পড়েন। মাত্র ১০ মাস বয়সে দুরারোগ্য ব্যাধি টিউবেরাস সেক্লরোসিস নামের দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন তিনি। দেহকে কুরে কুরে শেষ করে দেয়া এই রোগ নিয়েই পার করেছেন ১৯ বছর। ২০২৩ সালের ১৩ জানুয়ারি তাকে বিএসএমএমইউর আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যা ছয়টায় চিকিৎসকেরা সারাহর ‘ব্রেন ডেথ’ ঘোষণা করেন। ওইদিন রাত সাড়ে ১০টার দিকে অস্ত্রোপচার শুরু হয় সারাহর। চিকিৎসকেরা প্রথমে তার দুটি কিডনি ও দুটি কর্নিয়া অপসারণ করেন।

সারাহর দুটি কিডনির একটি বিএসএমএমইউতে একজন কিডনি রোগীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। অন্য কিডনি বিএসএমএমইউ থেকে কিডনি ফাউন্ডেশনে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে একজন নারীর শরীরে প্রতিস্থাপন করা হয়। এছাড়া সারাহর দুটি কর্নিয়া গত ১৯ জানুয়ারি দুজনের চোখে লাগানো হয়। একজনের অস্ত্রোপচার হয় বিএসএমএমইউতে, অন্যজনের সন্ধানী চক্ষু হাসপাতালে। সম্পাদনা: সালেহ্ বিপ্লব